Showing posts with label গার্মেন্টনির্ভর পেশা. Show all posts
Showing posts with label গার্মেন্টনির্ভর পেশা. Show all posts

Thursday, March 14, 2013

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ


গার্মেন্টস শিল্পে বায়িং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে উচ্চ বেতনে সম্মানজনক চাকরি করার সুযোগ আমাদের দেশে অনেক আগে থেকে রয়েছে। কিন্তু এই সংশ্লিষ্ট ডিগ্রিধারী আমাদের দেশে না থাকায় দেশের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার বেশির ভাগ অংশই বিদেশে চলে যাচ্ছে। এর ফলে পোশাক শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে চালু হয়েছে মার্চেন্ডাইজিংয়ের মতো বিষয় নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি।

বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে আজকাল সাধারণ শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাচ্ছে না দেশের অসংখ্য শিক্ষিত তরুণ-তরুণী। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নিতে হয় বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ। যার ফলে বেকারত্ব ঘুচানো অনেক সহজ হয়ে ওঠে। একে সহজ ভাষায় বলা হয় 'প্রফেশনাল ট্রেনিং'। ক্যারিয়ার গঠনে এমন একটি ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণ কোর্স গার্মেন্টস বায়িং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং।

বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা রয়েছে বিশ্বজুড়ে। ফলে বেড়ে চলেছে গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, ফ্যাশন হাউজসহ পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। পাশাপাশি গার্মেন্টস, বায়িং এবং মার্চেন্ডাইজিং সম্পর্কিত প্রশিক্ষিত লোকের চাহিদাও বাড়ছে ব্যাপক।

শুধু দেশে নয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে পোশাক শিল্পের বিপুল চাহিদার কারণে অন্যসব পেশার চেয়ে এ পেশায় চাকরি পাওয়াটা বেশ সহজও বটে। একেকটি পোশাক শিল্প এবং বায়িং হাউজে প্রচুর পরিমাণে দক্ষ লোক নিয়োগ করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ পেশাদারদের উচ্চ বেতনসম্পন্ন কর্মসংস্থান সুবিধা রয়েছে। এসব প্রেক্ষাপটে এ পেশার ব্যাপক দক্ষ জনবল চাহিদার কারণে আমাদের দেশেই গড়ে উঠেছে বেশ কিছু শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।

আজকাল পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলো দেখলেই বুঝা যায়, প্রায় প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জনশক্তির যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আর যেহেতু পেশাকশিল্পের এ পেশাটি সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল, কাজ তাই এ সেক্টরে প্রশিক্ষণব্যতীত চাকরি পাওয়াটা বেশ দুষ্কর। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রশিক্ষণ নিয়ে চাকরি পাওয়ার ভিত্তি শক্ত করাটাই হবে তরুণদের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। গার্মেন্টস শিল্পে ক্যারিয়ার সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পারবেন ০১৭৩১২২০০৯৯ , ০১৯৭১০০৯৯৯৯ নম্বরে ফোন করে।

বাংলাদেশে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ বা মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউিট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (এনআইএফটি)। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত এই প্রতিষ্ঠানে গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, মার্চেন্ডাইজিংসংশ্লিষ্ট সব কিছুই শেখানো হয়। এখানে রয়েছে এ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় হচ্ছে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট, বায়িং পলিসি, ইন্ডেটিং, ব্যাংক, কাস্টমস, ডিইডিও, ইপিবি, বিজিএমআই, শিপিং, এলসি, ডক্যুমেন্টশন, করেস্পন্ডেন্টস, জিএসপি, কোটা, টোটাল গার্মেন্টস প্রোডাকশন (ওভেন, নিট, স্যুয়েটার), কোয়ালিটি কন্ট্রোলিং ফ্রেবিক্স, অ্যাকসেসরিজ, টেক্সটাইল, ল্যাব টেস্ট, কস্টিং, মার্চেন্ডাইজিং প্রোডাক্যশন প্ল্যানিং, মার্কেটিং এবং ই-মেইল , ইন্টারনেটসহ পোশাকশিল্পের আনুষঙ্গিক সবকিছু।

বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। বৃহত্ এই শিল্পটিতে প্রায় ৫০ লাখ লোক বিভিন্ন পদে চাকরি করছে। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আরও অনেক প্রতিষ্ঠানই রয়েছে। গার্মেন্টস, বায়িং এবং মার্চেন্ডাইজিং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পাবেন। জেনারেল ম্যানেজার, মার্চেন্ডাইজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, ফ্লোর ইনচার্জ, কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, কোয়ালিটি কো-অর্ডিনেট, কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর, কমার্শিয়াল ম্যানেজার, অ্যাসিসটেন্ট প্রোডকশন ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ম্যানেজার, প্রভৃতি পদ উন্মুক্ত রয়েছে তাদের জন্য। এ শিল্প বা পেশাকেন্দ্রিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা প্রশাসনিক পর্যায়ে ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি রয়েছে ওভারটাইম এবং অন্যান্য আরও সুবিধা।

এনআইএফটিতে রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শর্টকোর্স। পাশাপাশি অনার্স, এমবিএ এবং উচ্চতর আরও ডিগ্রিও রয়েছে। এখানে রয়েছে দরিদ্র, মেধাবীদের জন্য স্কলারশিপ সুবিধা। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, খেলোয়াড়, প্রতিবন্ধী কোটাও রয়েছে। যোগাযোগ :১৪৬, ওয়ারলেস গেট, মহাখালী, ঢাকা।

Source: www.ittefaq.com.bd


Related All Post:


পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ




Related All Subject (Many post in one subject): 

Saturday, January 22, 2011

গার্মেন্টনির্ভর সময়োপযোগী পেশা

গাইডগার্মেন্টনির্ভর সময়োপযোগী পেশা
চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা আর ভবিষ্যৎ গড়তে সিদ্ধান্তহীনতা চিন্তায় ফেলে দিয়েছে বেশিরভাগ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের। চাকরির এই অপ্রতুলতার কারণে যেখানে নিজেকে টিকিয়ে রাখা মূল লক্ষ্য, সেখানে শুধু একাডেমিক পড়াশোনা করে আগামীর সুন্দর স্বপি্নল ক্যারিয়ার গড়ার সময় এখন আর নেই। আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে মানুষ অনেক বেশি সচেতন। সবার কাছে এখন সময়ের দাবি তার ক্যারিয়ারটা যেন আধুনিক ও স্মার্ট হয়। তাই সাধারণ একাডেমিক ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়ে এসে চলমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৃজনশীল ক্রিয়েটিভ ডিগ্রি নেওয়ার জন্য ঝুঁকছেন অনেকেই। ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্প। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে যে কেউ এখন গড়তে পারেন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। গার্মেন্ট শিল্পের সময়োপযোগী ও চাহিদাসম্পন্ন পেশার ওপর লক্ষ্য রেখে কিছু যুগোপযোগী বিষয় চালু করেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (এনআইএফটি)। যাদের রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মালয়েশিয়ার লিমককউং ইউনিভার্সিটির অ্যাপিলিয়েশন। এদের অধীনে এনআইএফটির পরিচালনা করছেন ফ্যাশন ডিজাইনে-এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপারেল ম্যানুফেকচারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (এমএমটি), নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (কেএমটি), ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি (এফডিটি), ফ্যাশন মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড টেকনোলজি জি (এফএমটি) কোর্স। এই কোর্সগুলোতে এনআইএফটিতে ১ বছর পড়াশোনা করে লিমককউং ইউনিভার্সিটির সারা বিশ্বের ১৪৫টি ক্যাম্পাসের যেকোনো একটিতে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। এসব কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান ২.০০ উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। এছাড়া এনআইএফটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইইটি)-তে বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক ৪ বছর মেয়াদি ৮ সেমিস্টারে ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স রয়েছে। এছাড়া এনআইএফটিতে ফ্যাশন ডিজাইনে রয়েছে বিভিন্ন ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স। এনআইএফটি, ঢাকা। ফোন : ০১৭৩১-২২০০৯৯,

Related All Post:

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ




Related All Subject (Many post in one subject): 


Thursday, August 26, 2010

এ সময়ের পেশা মার্চেন্টাইজিং

এ সময়ের পেশা মার্চেন্টাইজিং
শাম্মি আখতার
আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিৰার্থিরাই ছেলেবেলা থেকে একটি নির্দিষ্ট পেশাকে লৰ্য রেখে পড়ালেখা করে না বা করতে পারে না। তাই শিৰাজীবন শেষে অনেকে বেকারত্বকে বরণ করে হতাশায় নিমজ্জিত হন। ক্যারিয়ার নিয়ে সারাদিন নানা রকমের চিনত্মাভাবনা করেও কোন কুলকিনারা বের করতে পারেন না। কিন্তু শিৰাজীবনে যারা লৰ্য বা এইম ঠিক করতে পারেননি, তাঁরা একটু সচেতন হলেই পাল্টে দিতে পারেন ভবিষ্যত জীবনটাকে। চাকরি নামক সোনার হরিণটাকে করতে পারেন করায়ত। যারা স্থির স্বভাবের, চ্যালেঞ্জ গ্রহণে সৰম, ঝুঁকি নিতে মোটেও ভিত নয়, এমন মানুষদের জন্য চমৎকার পেশা মার্চেন্টাইজিং।

পেশার ধরন
এটি একটি দায়িত্বপূর্ণর্ পেশা। ইংরেজী মার্চেন্ট থেকে মার্চেন্টাইজিং শব্দটি এসেছে। যার অর্থ সওদাগরি। মনে একটু খটকা লাগতে পারে। খোলাসা করে বলা যাক। কাজটা হলো এ ধারকা মাল ও ধার। অর্থাৎ কোন পণ্য ক্রেতার পচ্ছন্দ ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুতকারীকে দিয়ে তৈরি করানো। পরবতর্ীতে ক্রেতাদের নিকট বিক্রি করে পর্যাপ্ত মুনাফা অর্জন। তবে এৰেত্রে উলেস্নখ্য যে, আমাদের গার্মেন্টস বা রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পেই এই পেশার চাহিদা ও কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি। পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি আশির দশকের পূর্বে আমাদের দেশে মার্চেন্টাইজিং পেশার কর্মৰেত্র ছিল না। শুধু তাই নয়, এ পেশা সম্পর্কে সাধারণ মানুষ জানত না। তবে আশির দশকের মাঝামাঝি আমাদের পেশে গার্মেন্টস শিল্প স্থাপনের পর থেকে এ পেশার কর্মৰেত্র সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে এ পেশার ক্রমন্বয়নও কর্মপরিধী বেড়েছে। বর্তমানে পেশাটি বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য ও সমাদৃত।

কর্মসংস্থানের সুযোগ
বর্তমানে আমাদের দেশের সর্বাধিক কর্মসংস্থানের খাত হলো পোমাক শিল্প। পোশাক শিল্পের উত্তর উত্তর অগ্রগতি হচ্ছে সেই সংগে বাড়ছে এ পেশার অর্থাৎ মার্চেন্টাইজিং পেশার কর্মৰেত্র। গার্মেন্টস ও গার্মেন্টস সংশিস্নষ্ট বায়িং হাউসগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রশিৰত অভিজ্ঞ মার্চেন্টাইজার প্রয়োজন হয়। তাই এ পেশায় কাজ পাওয়ার সুযোগটাও অনেক বেশি। বাংলাদেশ থেকে সারাবিশ্বে তিন ধরনের তৈরি পেশাক রফতানি করে থাকে ওভেন নীট, সোয়েটার। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে চামড়া শিল্প রফতানিমুখী হওয়ায় সেখানেও প্রয়োজন মার্চেন্টাইজার। এছাড়া বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন ধরনের ৰুদ্র ও কুটির শিল্প রফতানি হতে শুরম্ন করেছে, সেৰেত্রেও প্রয়োজন মার্চেন্টাইজার। অর্থাৎ আমাদের দেশে মার্চেন্টাইজারের কর্মৰেত্রে রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা।
মার্চেন্টাইজার হতে যা প্রয়োজন
শুরম্নর দিকে মার্চেন্টাইজার নিয়োগ করা হতো এমন লোকদের যারা বাংলা ও ইংরেজী লিখতে পারে। বিশেষ করে ইংরেজীতে নূ্যনতম গার্মেন্টস সম্পর্কে লিখতে পারলেই হতো। কিন্তু পেশাটি আনত্মর্জাতিক ৰেত্রে যথেষ্ট গুরম্নত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে পরবতর্ীতে নিয়ম পরিবর্তিত হয়। বর্তমানে মার্চেন্টাইজার হিসেবে কাজ পেতে হলে অবশ্যই নূ্যনতম স্নাতক পাস হতে হবে। সেই সংগে ইংরেজী ভাষায় দৰ হতে হবে। যেহেতু মার্চেন্টাইজারকে বেশিরভাগ কাজ করতে হয় বিদেশীদের সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে।
প্রয়োজন প্রশিৰণ
মার্চেন্ডাইজারকে কর্মৰেত্রে নানা বিষয়ে খুঁটিনাটি বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করতে হয় যেমন কাপড় কেমন হবে রং কেমন হবে সুতা সেলাই, বোতাম, সাইজসহ সবকিছু তাই প্রশিৰণ থাকাটা জরম্নরী। প্রশিৰণ থাকলে ছোটখাটো সব ধরনের সমস্যার সমাধান নিজেই পৰেই করা সম্ভব।

কোথায় নেবেন
বর্তমানে ঢাকায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে মার্চেন্টাইজিং বিষয়ে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিৰণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিজেএমইএ (বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফাকচারিং এ্যান্ড এঙ্পোর্ট এ্যাসোসিয়েশন) এ অধীনে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিৰণের ব্যবস্থা রয়েছে। মার্চেন্টাইজিং পেশায় যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদের জন্য এই প্রশিৰণটি অত্যনত্ম প্রয়োজনীয়। এছাড়া কিছু বায়িং হাউজ ও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের মার্চেন্টাইজিং এ স্বল্প মেয়াদী প্রশিৰণের সুযোগ রয়েছে।

উপার্জন:
অন্য অনেক পেশার তুলনায় মার্চেন্টাইজিং পেশায় উপার্জন বেশ ভাল। ছোট মাঝারি বা বড় গার্মেন্টস বাইং হাউজ ভেদে প্রারাম্ভিক বেতন কম বেশি হলেও, দৰতা অর্জনে সৰম হলে খুব অল্প সময়ে পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক পাওয়া সম্ভব। আর যদি আনত্মর্জাতিক মানের বা বহুজাতিক বায়িং হাউস হলে পারিশ্রমিকের পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা হতে পারে। এছাড়া অন্যান্য সুবিধা তো রয়েছেই।
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় পেশার অন্যতম মার্চেন্টাইজিং। আধুনিক ও সময়োপযোগী হওয়ায় বিশ্বব্যাপী এর রয়েছে গ্রহণযোগ্য। যাঁরা কাজকে ভালবাসেন তাঁদের বিশ্বমানের কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চান তাঁদের পেশা মার্চেন্টাইজিং।