Showing posts with label গার্মেন্টস শিক্ষা-প্রশিক্ষণ. Show all posts
Showing posts with label গার্মেন্টস শিক্ষা-প্রশিক্ষণ. Show all posts

Saturday, June 15, 2013

পড়ার বিষয় গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং

- নাহিদ হাসান

বস্ত্রশিল্পের বিকাশে গার্মেন্টস বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ল্ড শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্পিনিং মিল, ডাইং ফিনিশিং মিল, নিট কম্পোজিল মিল। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে উত্পাদিত পণ্যকে গুণগত মানসম্পন্ন ও সমৃদ্ধশালী করার জন্য যারা শ্রেষ্ঠ অবদান রেখেছেন, তারা হলেন গার্মেন্টস বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। বাংলাদেশে প্রায় ৪,৮০০টি গার্মেন্টস এবং ১,২০০টি বায়িং হাউস আছে। বর্তমানে ডিপ্লোমা ইন গার্মেন্টস ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আর এ কারণে বাধ্য হয়ে অন্য শিক্ষায় শিক্ষিত লোকদের এ ফিল্ডে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বস্ত্র শিল্পে উন্নয়ন পরিকল্পনা যা ইতোমধ্যে সরকার হাতে নিয়েছে তাতে আগামী তিন বছরে প্রয়োজন হবে ২৫,০০০ জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। আর বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা দুই হাজারেরও কম। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই ফিল্ডে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্র :টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে কাজের রয়েছে অবারিত সুযোগ। যেকোনো টেক্সটাইল বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে উত্পাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যেতে হয় এই ইঞ্জিনিয়ারদের। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যেকোনো ছোট-বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উত্পাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিংসহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করে থাকেন। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং ঋণ প্রদানকারী সংস্থাসমূহে শিল্প ঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে তাদের জন্য বিশাল কাজের ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়ে আছে। যার ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং বিষয়ের শিক্ষার্থীদের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এ বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহীরা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :রূপসী, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। ফোন :০১৭৩১০০৬৯৮৯, ০৪৪৭৮৯১২৩৪৮। যাতে নিশ্চিত চাকরির সুযোগ রয়েছে এ ছাড়াও ডিপে¬ামা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, শিপ বিল্ডিং টেকনোলোজি, টেক্রটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্ল¬াস টেকনোলোজি, সার্ভেয়িং, সিরামিকস টেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে।

Source: www.ittefaq.com.bd


Related All Subject (Many post in one subject): 

Wednesday, May 22, 2013

Garments Design & Pattern Making Technology

Garments Design & Pattern Making Technology

গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং মূলতঃ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটা অংশ আর এ জন্য এর কর্মক্ষেত্রটা অনেক ব্যাপক। মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে বস্ত্র অন্যতম। এই বস্ত্রকে বিভিন্ন আঙ্গিকে নতুন নতুন ভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বের সকল মানুষের পছন্দের পোষাক তৈরি করাটাই Garments Design and Pattern Making এর কাজ। Fashion মূলতঃ পরিবর্তনশীল তাই দক্ষ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার ছাড়া সারা দুনিয়ার এই চাহিদা মিটানো সম্ভব নয়। মূলত গর্ামেন্টস শিল্পে অভূতপূব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা রয়েছে যে কেবল মাত্র কম শিক্ষিত লোকজনই এই শিল্পে চাকরি করে থাকে। না, আমরা বলতে চাই এই শিল্পে টেকনিক্যাল এবং ডিজাইন সংশ্লিষ্ট পোস্টের কাজ গুলি সবচেয়ে বেশি বেতনে বিদেশ থেকে এস কাজ করে থাকে।এই সেক্টরে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে শুধু তাই নয় আগামী ১০বছরেও দক্ষ গার্মেন্টস ডিজাইন ও প্যাটার্ন মেকিং এর চাহিদা শেষ হবে না। এই শিল্প থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে।

Garments Design and Pattern Making প্রয়োজনীয় ল্যাব সমূহঃ

  • CAD Lab
  • Pattern Making Lab
  • Sewing Lab
  • Testing Lab
  • Cutting Lab
  • Computer Lab
  • Physics & Chemistry Lab

কর্মক্ষেত্র সমূহঃ

  1. বাংলাদেশের Garments Industry গুলোতে এবং Manufacturing Unit এ রয়েছে বিশাল চাকুরির ক্ষেত্র। এই বিভাগ গুলোতে Designer Assistant Cutting Officer, Sketching Assistant, Junior Designer হিসাবে রয়েছে অনেক চাকরির সুযোগ।
  2. Marketing and Merchandising বিভাগে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে Garments এর Fashion বিভাগে Marketing Officer এবং Assistant Merchandising Control Manager হিসেবে রয়েছে চাকুরির সুযোগ।
  3. Manufacturing Department: Manufacturing বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে Assistant Production Manager পদে রয়েছে কাজ করার অফুরন্ত সুযোগ। এই ইউনিটগুলো (১) Pattern Grading (2) Spreading (3) Marking to cutting (4) Assembling (5) Trainer for worker
  4. Fashion Coordinators: এই বিভাগে বায়ার এবং Production Manager কে সাহায্য করার জন্য Assistant coordinators পদে তৈরী হয়েছে চাকরির সুযোগ
  5. সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি Handloom/Textile Manufacture বিভাগে Assistant Manager হিসাবে রয়েছে অফুরন্ত চাকরির সুযোগ।

Thursday, March 14, 2013

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ


গার্মেন্টস শিল্পে বায়িং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে উচ্চ বেতনে সম্মানজনক চাকরি করার সুযোগ আমাদের দেশে অনেক আগে থেকে রয়েছে। কিন্তু এই সংশ্লিষ্ট ডিগ্রিধারী আমাদের দেশে না থাকায় দেশের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার বেশির ভাগ অংশই বিদেশে চলে যাচ্ছে। এর ফলে পোশাক শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে চালু হয়েছে মার্চেন্ডাইজিংয়ের মতো বিষয় নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি।

বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে আজকাল সাধারণ শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাচ্ছে না দেশের অসংখ্য শিক্ষিত তরুণ-তরুণী। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নিতে হয় বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ। যার ফলে বেকারত্ব ঘুচানো অনেক সহজ হয়ে ওঠে। একে সহজ ভাষায় বলা হয় 'প্রফেশনাল ট্রেনিং'। ক্যারিয়ার গঠনে এমন একটি ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণ কোর্স গার্মেন্টস বায়িং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং।

বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা রয়েছে বিশ্বজুড়ে। ফলে বেড়ে চলেছে গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, ফ্যাশন হাউজসহ পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। পাশাপাশি গার্মেন্টস, বায়িং এবং মার্চেন্ডাইজিং সম্পর্কিত প্রশিক্ষিত লোকের চাহিদাও বাড়ছে ব্যাপক।

শুধু দেশে নয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে পোশাক শিল্পের বিপুল চাহিদার কারণে অন্যসব পেশার চেয়ে এ পেশায় চাকরি পাওয়াটা বেশ সহজও বটে। একেকটি পোশাক শিল্প এবং বায়িং হাউজে প্রচুর পরিমাণে দক্ষ লোক নিয়োগ করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ পেশাদারদের উচ্চ বেতনসম্পন্ন কর্মসংস্থান সুবিধা রয়েছে। এসব প্রেক্ষাপটে এ পেশার ব্যাপক দক্ষ জনবল চাহিদার কারণে আমাদের দেশেই গড়ে উঠেছে বেশ কিছু শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।

আজকাল পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলো দেখলেই বুঝা যায়, প্রায় প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জনশক্তির যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আর যেহেতু পেশাকশিল্পের এ পেশাটি সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল, কাজ তাই এ সেক্টরে প্রশিক্ষণব্যতীত চাকরি পাওয়াটা বেশ দুষ্কর। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রশিক্ষণ নিয়ে চাকরি পাওয়ার ভিত্তি শক্ত করাটাই হবে তরুণদের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। গার্মেন্টস শিল্পে ক্যারিয়ার সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পারবেন ০১৭৩১২২০০৯৯ , ০১৯৭১০০৯৯৯৯ নম্বরে ফোন করে।

বাংলাদেশে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ বা মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউিট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (এনআইএফটি)। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত এই প্রতিষ্ঠানে গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, মার্চেন্ডাইজিংসংশ্লিষ্ট সব কিছুই শেখানো হয়। এখানে রয়েছে এ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় হচ্ছে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট, বায়িং পলিসি, ইন্ডেটিং, ব্যাংক, কাস্টমস, ডিইডিও, ইপিবি, বিজিএমআই, শিপিং, এলসি, ডক্যুমেন্টশন, করেস্পন্ডেন্টস, জিএসপি, কোটা, টোটাল গার্মেন্টস প্রোডাকশন (ওভেন, নিট, স্যুয়েটার), কোয়ালিটি কন্ট্রোলিং ফ্রেবিক্স, অ্যাকসেসরিজ, টেক্সটাইল, ল্যাব টেস্ট, কস্টিং, মার্চেন্ডাইজিং প্রোডাক্যশন প্ল্যানিং, মার্কেটিং এবং ই-মেইল , ইন্টারনেটসহ পোশাকশিল্পের আনুষঙ্গিক সবকিছু।

বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। বৃহত্ এই শিল্পটিতে প্রায় ৫০ লাখ লোক বিভিন্ন পদে চাকরি করছে। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আরও অনেক প্রতিষ্ঠানই রয়েছে। গার্মেন্টস, বায়িং এবং মার্চেন্ডাইজিং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পাবেন। জেনারেল ম্যানেজার, মার্চেন্ডাইজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, ফ্লোর ইনচার্জ, কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, কোয়ালিটি কো-অর্ডিনেট, কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর, কমার্শিয়াল ম্যানেজার, অ্যাসিসটেন্ট প্রোডকশন ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ম্যানেজার, প্রভৃতি পদ উন্মুক্ত রয়েছে তাদের জন্য। এ শিল্প বা পেশাকেন্দ্রিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা প্রশাসনিক পর্যায়ে ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি রয়েছে ওভারটাইম এবং অন্যান্য আরও সুবিধা।

এনআইএফটিতে রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শর্টকোর্স। পাশাপাশি অনার্স, এমবিএ এবং উচ্চতর আরও ডিগ্রিও রয়েছে। এখানে রয়েছে দরিদ্র, মেধাবীদের জন্য স্কলারশিপ সুবিধা। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, খেলোয়াড়, প্রতিবন্ধী কোটাও রয়েছে। যোগাযোগ :১৪৬, ওয়ারলেস গেট, মহাখালী, ঢাকা।

Source: www.ittefaq.com.bd


Related All Post:


পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ




Related All Subject (Many post in one subject):