Tuesday, June 25, 2013

ক্ষুদ্র গার্মেন্টস’র ঈদ বাজার: সৈয়দপুরে প্রতিদিন দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা

ক্ষুদ্র গার্মেন্টস’র ঈদ বাজার: সৈয়দপুরে প্রতিদিন দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা


শাহজাহান আলী, সিসিনিউজ: শেষ মূহুর্তে জমজমাট হয়ে উঠেছে বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরের ঈদ পোশাকের বাজার। সে কারণে সরগরম স্থানীয় ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানাগুলো। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে হাল ফ্যাশনের বাহারী পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। খুচরা  পাইকারী মিলিয়ে ঈদ বাজারে কারখানাগুলোর প্রতিদিন প্রায় দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রামের বৃহৎ গার্মেন্টস কারাখানাগুলোর ঝুট কাপড়ের উপর নির্ভর করে সৈয়দপুরে গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানা। এসব কারখানায় তৈরী করা হয় বিভিন্ন বয়সী ছেলেদের পোশাক। ঈদকে সামনে রেখে নিত্য নতুন বাহারী ডিজাইনের পোশাকও তৈরী করা হয়। ঈদের মার্কেট ধরতে হাল ক্রেজের পোশাকের সমাবেশ ঘটানো হয়। সারা দেশেই গার্মেন্টসের পোশাকের চাহিদা রয়েছে। রমজানের শুরুতে পাইকাররা বিপুল পরিমান পোশাক সংগ্রহ করেন। এছাড়া সৈয়দপুরেই রয়েছে খুচরা বিক্রির বিশাল বাজার। এই ঈদে এখানকার ক্ষুদ্র পোশাক কারখানাগুলোতে তৈরী গ্যাভাডিন কাপড়ের মোবাইল প্যান্ট, জিন্স প্যান্ট, মোবাইল শার্ট শর্ট প্যান্ট এবং লিলেন কাপড়ের শর্ট ধুতি বিক্রি হচ্ছে ব্যাপকহারে। এর সাথে ঘর সাজানোর জন্য বালিশের কভার, দরজা-জানালার পর্দা, বিছানার চাদর ছেলে শিশুদের পোশাক বিক্রি চলছে সমান তালে। বিভিন্ন ব্রান্ডের প্যান্ট ন্যুনতম ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা, শার্ট ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা দামে বিক্রি হয়। শহরের ছাট কাপড়ের মার্কেট খ্যাত সামসুল হক রোডের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা জানান, খুচরা পর্যায়ে বেচাবিক্রি ভালো, তবে ব্যবসায়ীরা একবারে বেশি অর্ডার দিচ্ছেন না। আগে এমনটি দেখা যায়নি। এবার ঈদে তারা হাল ফ্যাশনের পোশাক তৈরী করেছেন। ঈদের বাজারে দৈনিক তাদের দেড় কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে বলে তারা জানান।


Source: http://ccnews24.com/



মালয়েশিয়ায় বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছে সৈয়দপুরের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রুপ


স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী।। প্যাভিলিয়ন নিয়ে মালয়েশিয়ার বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছে রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রম্নপ নীলফামারীর সৈয়দপুরের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান দুলু। মঙ্গলবার ( ২৬ নবেম্বর) থেকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ৩দিন ব্যাপী ওই মেলা শুরু হয়। মেলায় নীলফামারীর সৈয়দপুরের রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রুপের প্যাভিলিয়ন ব্যাপক প্রশংসিত লাভ করে।

ওই মেলায় মতিয়ার রহমানের প্যাভিলিয়নে সৈয়দপুরের উৎপাদিত ট্রাউজার, জ্যাকেট, শটস শার্ট, টি-শার্ট ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত ওই বাণিজ্য মেলায় সৈয়দপুরের গার্মেন্টস খাত আমন্ত্রণ পেয়েছে। আর রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রম্নপের পক্ষ থেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এতে প্যাভিলিয়ন নিয়ে অংশ নেন।
ইপিবি সূত্র জানায়, সম্পূর্ণ অপ্রচলিত উৎপাদন তথা ঝুট কাপড় দিয়ে তৈরি সৈয়দপুরের তৈরি (গার্মেন্টস) খাত সম্ভাবনা জাগিয়েছে। এখানে ঝুট কাপড়ে তৈরি গার্মেন্টস ভারত, নেপাল ও ভুটানে রফতানি হচ্ছে। ওই শিল্পের আরও প্রসার ঘটাতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রম্নপ, ইনট্রেড মালয়েশিয়ায় আমন্ত্রণ পায়।


Related All Post: 



Thursday, June 20, 2013

সিসিসি মেয়রের প্রতি চিটাগাং চেম্বার সভাপতি
গার্মেন্টস ভিলেজ স্থাপন হলে পোশাক শিল্পে বিপ্লব সাধিত হবে
চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রামে গার্মেন্টস ভিলেজ স্থাপন হলে এ অঞ্চলের পোশাক শিল্পে বিপ্লব সাধিত হবে বলে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম মতপ্রকাশ করেন। সম্প্রতি চট্টগ্রামের কালুরঘাটে “গার্মেন্টস ভিলেজ” স্থাপনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ৯ জুন এক পত্রে চেম্বার সভাপতি এ মন্তব্য করেন।
পত্রে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ১১ একর জমিতে প্রস্তাবিত “সাম্পান স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প” বাতিল করে “গার্মেন্টস ভিলেজ” স্থাপনের এ উদ্যোগ দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে বিরাজমান সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সংকট নিরসনের জন্য একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। চেম্বার সভাপতি তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ ও নিরাপদ কর্ম পরিরেশ বজায় রাখার স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের সমন্বয়ে একটি “আন্তঃকর্তৃপক্ষীয় সমন্বয় কমিটি” ও তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য স্বতন্ত্র “গার্মেন্টস ভিলেজ” স্থাপনের জন্য চিটাগাং চেম্বার বিভিন্ন সময়ে প্রস্তাব দিয়ে এসেছে বলেও পত্রে উল্লেখ করেন। তিনি তৈরি পোশাক রফতানি খাতে বর্তমানে যে সংকট দেখা দিয়েছে সিসিসি মেয়রের এ উদ্যোগের ফলে তা অনেকাংশেই মোচন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Saturday, June 15, 2013

পড়ার বিষয় গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং

- নাহিদ হাসান

বস্ত্রশিল্পের বিকাশে গার্মেন্টস বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ল্ড শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্পিনিং মিল, ডাইং ফিনিশিং মিল, নিট কম্পোজিল মিল। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে উত্পাদিত পণ্যকে গুণগত মানসম্পন্ন ও সমৃদ্ধশালী করার জন্য যারা শ্রেষ্ঠ অবদান রেখেছেন, তারা হলেন গার্মেন্টস বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। বাংলাদেশে প্রায় ৪,৮০০টি গার্মেন্টস এবং ১,২০০টি বায়িং হাউস আছে। বর্তমানে ডিপ্লোমা ইন গার্মেন্টস ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আর এ কারণে বাধ্য হয়ে অন্য শিক্ষায় শিক্ষিত লোকদের এ ফিল্ডে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বস্ত্র শিল্পে উন্নয়ন পরিকল্পনা যা ইতোমধ্যে সরকার হাতে নিয়েছে তাতে আগামী তিন বছরে প্রয়োজন হবে ২৫,০০০ জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। আর বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা দুই হাজারেরও কম। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই ফিল্ডে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্র :টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে কাজের রয়েছে অবারিত সুযোগ। যেকোনো টেক্সটাইল বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে উত্পাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যেতে হয় এই ইঞ্জিনিয়ারদের। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যেকোনো ছোট-বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উত্পাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিংসহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করে থাকেন। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং ঋণ প্রদানকারী সংস্থাসমূহে শিল্প ঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে তাদের জন্য বিশাল কাজের ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়ে আছে। যার ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং বিষয়ের শিক্ষার্থীদের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এ বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহীরা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :রূপসী, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। ফোন :০১৭৩১০০৬৯৮৯, ০৪৪৭৮৯১২৩৪৮। যাতে নিশ্চিত চাকরির সুযোগ রয়েছে এ ছাড়াও ডিপে¬ামা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, শিপ বিল্ডিং টেকনোলোজি, টেক্রটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্ল¬াস টেকনোলোজি, সার্ভেয়িং, সিরামিকস টেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে।

Source: www.ittefaq.com.bd


Related All Subject (Many post in one subject): 

Wednesday, May 22, 2013

Garments Design & Pattern Making Technology

Garments Design & Pattern Making Technology

গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং মূলতঃ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটা অংশ আর এ জন্য এর কর্মক্ষেত্রটা অনেক ব্যাপক। মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে বস্ত্র অন্যতম। এই বস্ত্রকে বিভিন্ন আঙ্গিকে নতুন নতুন ভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বের সকল মানুষের পছন্দের পোষাক তৈরি করাটাই Garments Design and Pattern Making এর কাজ। Fashion মূলতঃ পরিবর্তনশীল তাই দক্ষ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার ছাড়া সারা দুনিয়ার এই চাহিদা মিটানো সম্ভব নয়। মূলত গর্ামেন্টস শিল্পে অভূতপূব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা রয়েছে যে কেবল মাত্র কম শিক্ষিত লোকজনই এই শিল্পে চাকরি করে থাকে। না, আমরা বলতে চাই এই শিল্পে টেকনিক্যাল এবং ডিজাইন সংশ্লিষ্ট পোস্টের কাজ গুলি সবচেয়ে বেশি বেতনে বিদেশ থেকে এস কাজ করে থাকে।এই সেক্টরে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে শুধু তাই নয় আগামী ১০বছরেও দক্ষ গার্মেন্টস ডিজাইন ও প্যাটার্ন মেকিং এর চাহিদা শেষ হবে না। এই শিল্প থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে।

Garments Design and Pattern Making প্রয়োজনীয় ল্যাব সমূহঃ

  • CAD Lab
  • Pattern Making Lab
  • Sewing Lab
  • Testing Lab
  • Cutting Lab
  • Computer Lab
  • Physics & Chemistry Lab

কর্মক্ষেত্র সমূহঃ

  1. বাংলাদেশের Garments Industry গুলোতে এবং Manufacturing Unit এ রয়েছে বিশাল চাকুরির ক্ষেত্র। এই বিভাগ গুলোতে Designer Assistant Cutting Officer, Sketching Assistant, Junior Designer হিসাবে রয়েছে অনেক চাকরির সুযোগ।
  2. Marketing and Merchandising বিভাগে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে Garments এর Fashion বিভাগে Marketing Officer এবং Assistant Merchandising Control Manager হিসেবে রয়েছে চাকুরির সুযোগ।
  3. Manufacturing Department: Manufacturing বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে Assistant Production Manager পদে রয়েছে কাজ করার অফুরন্ত সুযোগ। এই ইউনিটগুলো (১) Pattern Grading (2) Spreading (3) Marking to cutting (4) Assembling (5) Trainer for worker
  4. Fashion Coordinators: এই বিভাগে বায়ার এবং Production Manager কে সাহায্য করার জন্য Assistant coordinators পদে তৈরী হয়েছে চাকরির সুযোগ
  5. সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি Handloom/Textile Manufacture বিভাগে Assistant Manager হিসাবে রয়েছে অফুরন্ত চাকরির সুযোগ।

Sunday, March 24, 2013

গলনার চরে মিনি গার্মেন্টস সমবায় সমিতি

গলনার চরে মিনি গার্মেন্টস সমবায় সমিতি


খালিদ হাসান মোর্শেদ, গাইবান্ধা করেসপন্ডেন্ট॥ গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের যমুনা নদী বেষ্টিত প্রত্যন্ত চরের গ্রাম গলনা। যোগাযোগ বঞ্চিত পিছিয়ে পড়া গ্রামের ২০ জন প্রান্তিক নারীর সমন্বিত প্রচেষ্টা আর অক্লান্ত শ্রমের ফসল গলনা মিনি গার্মেন্টস সমবায় সমিতি। যা এখন এই চরাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আর বঞ্চিত নারীদের ঐক্যবদ্ধ আত্মনির্ভরতা আর কর্মসংস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
নদী বেষ্টিত এই গলনা ছ্ট্টো একটি গ্রাম যেখানে ২শ’ পরিবারের মাত্র ৯শ’ লোকের বসবাস। এর মধ্যে শতকারা ৫২ ভাগ নারী। সনাতন সামাজিক রীতিনীতি নির্ভর কুসংস্কারাচ্ছন্ন এই গ্রামীণ সমাজে নারীরা অবহেলিত নির্যাতিত। দারিদ্র্য যেখানে মানুষের জীবন যাপনকে দু:সহ এবং কষ্টসাধ্য করে তুলেছে। সেই গ্রামের নারীদের ভাগ্যের উন্নয়নের সূত্রপাত হয় ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এসকেএস ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে চরাঞ্চলের অবহেলিত নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অক্সফ্যামের সহযোগিতায় রি-কল প্রকল্পের কার্যক্রমের মাধ্যমে।
প্রকল্পের আওতায় নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ২০ জন নারীকে মিনি গার্মেন্টস বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারীরা গলনা মিনি গার্মেন্টস সমবায় সমিতি গঠন করে।
অত:পর উপকরণ, কাপড় এবং প্রয়োজনীয় মেশিন ক্রয়ের জন্য প্রকলেÍ আওতায় ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা ঋণ প্রাপ্ত হয়।
এই থেকেই শুরু আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলা। রুক্ষ্ম ধূসর বালুময় চরে শুরু হয় মিনি গার্মেন্টস এর উৎপাদন। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ২০ জন নারী তাদের সহযোগি শ্রমিকদের নিয়ে শিশুদের পোশাক, মেয়েদের জামা, ব্লাউজ, পেটিকোটসহ অন্যান্য পোশাক তৈরি শুরু করে। রি-কল প্রকল্পের সহযোগিতায় উৎপাদিত এসব পোশাকের ক্রেতাও জুটে যায়।
ফলে গলনার চরের নারীদের উৎপাদিত উন্নতমানের এবং স্বল্প মূল্যের পোশাক এখন বিক্রয় হচ্ছে পার্শ্ববর্তী জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জসহ অন্যান্য এলাকায়। এছাড়া জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটার বাদিয়াখালী, ভরতখালী, গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে। গলনা মিনি গার্মেন্টস সমবায় সমিতির সভাপতি রাশেদা বেগম বলেন, উৎপাদনে নিয়োজিত নারীরা যেমন এ থেকে লাভবান হতে শুরু করেছে।
পাশাপাশি এই মিনি গার্মেন্টসে কাজ করে গলনা গ্রামের ৭৫ জন নারী শ্রমিক প্রতিদিন ১শ’ ৫০ থেকে ২শ’ টাকা আয় করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এ থেকে প্রত্যন্ত এ চরাঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে কর্মের সংস্থান।

Thursday, March 14, 2013

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ

পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ


গার্মেন্টস শিল্পে বায়িং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে উচ্চ বেতনে সম্মানজনক চাকরি করার সুযোগ আমাদের দেশে অনেক আগে থেকে রয়েছে। কিন্তু এই সংশ্লিষ্ট ডিগ্রিধারী আমাদের দেশে না থাকায় দেশের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার বেশির ভাগ অংশই বিদেশে চলে যাচ্ছে। এর ফলে পোশাক শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে চালু হয়েছে মার্চেন্ডাইজিংয়ের মতো বিষয় নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি।

বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে আজকাল সাধারণ শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাচ্ছে না দেশের অসংখ্য শিক্ষিত তরুণ-তরুণী। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নিতে হয় বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ। যার ফলে বেকারত্ব ঘুচানো অনেক সহজ হয়ে ওঠে। একে সহজ ভাষায় বলা হয় 'প্রফেশনাল ট্রেনিং'। ক্যারিয়ার গঠনে এমন একটি ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণ কোর্স গার্মেন্টস বায়িং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং।

বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা রয়েছে বিশ্বজুড়ে। ফলে বেড়ে চলেছে গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, ফ্যাশন হাউজসহ পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। পাশাপাশি গার্মেন্টস, বায়িং এবং মার্চেন্ডাইজিং সম্পর্কিত প্রশিক্ষিত লোকের চাহিদাও বাড়ছে ব্যাপক।

শুধু দেশে নয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে পোশাক শিল্পের বিপুল চাহিদার কারণে অন্যসব পেশার চেয়ে এ পেশায় চাকরি পাওয়াটা বেশ সহজও বটে। একেকটি পোশাক শিল্প এবং বায়িং হাউজে প্রচুর পরিমাণে দক্ষ লোক নিয়োগ করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ পেশাদারদের উচ্চ বেতনসম্পন্ন কর্মসংস্থান সুবিধা রয়েছে। এসব প্রেক্ষাপটে এ পেশার ব্যাপক দক্ষ জনবল চাহিদার কারণে আমাদের দেশেই গড়ে উঠেছে বেশ কিছু শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।

আজকাল পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলো দেখলেই বুঝা যায়, প্রায় প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জনশক্তির যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আর যেহেতু পেশাকশিল্পের এ পেশাটি সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল, কাজ তাই এ সেক্টরে প্রশিক্ষণব্যতীত চাকরি পাওয়াটা বেশ দুষ্কর। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রশিক্ষণ নিয়ে চাকরি পাওয়ার ভিত্তি শক্ত করাটাই হবে তরুণদের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। গার্মেন্টস শিল্পে ক্যারিয়ার সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পারবেন ০১৭৩১২২০০৯৯ , ০১৯৭১০০৯৯৯৯ নম্বরে ফোন করে।

বাংলাদেশে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ বা মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউিট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (এনআইএফটি)। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত এই প্রতিষ্ঠানে গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, মার্চেন্ডাইজিংসংশ্লিষ্ট সব কিছুই শেখানো হয়। এখানে রয়েছে এ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় হচ্ছে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট, বায়িং পলিসি, ইন্ডেটিং, ব্যাংক, কাস্টমস, ডিইডিও, ইপিবি, বিজিএমআই, শিপিং, এলসি, ডক্যুমেন্টশন, করেস্পন্ডেন্টস, জিএসপি, কোটা, টোটাল গার্মেন্টস প্রোডাকশন (ওভেন, নিট, স্যুয়েটার), কোয়ালিটি কন্ট্রোলিং ফ্রেবিক্স, অ্যাকসেসরিজ, টেক্সটাইল, ল্যাব টেস্ট, কস্টিং, মার্চেন্ডাইজিং প্রোডাক্যশন প্ল্যানিং, মার্কেটিং এবং ই-মেইল , ইন্টারনেটসহ পোশাকশিল্পের আনুষঙ্গিক সবকিছু।

বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। বৃহত্ এই শিল্পটিতে প্রায় ৫০ লাখ লোক বিভিন্ন পদে চাকরি করছে। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আরও অনেক প্রতিষ্ঠানই রয়েছে। গার্মেন্টস, বায়িং এবং মার্চেন্ডাইজিং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পাবেন। জেনারেল ম্যানেজার, মার্চেন্ডাইজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, ফ্লোর ইনচার্জ, কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, কোয়ালিটি কো-অর্ডিনেট, কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর, কমার্শিয়াল ম্যানেজার, অ্যাসিসটেন্ট প্রোডকশন ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ম্যানেজার, প্রভৃতি পদ উন্মুক্ত রয়েছে তাদের জন্য। এ শিল্প বা পেশাকেন্দ্রিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা প্রশাসনিক পর্যায়ে ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি রয়েছে ওভারটাইম এবং অন্যান্য আরও সুবিধা।

এনআইএফটিতে রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শর্টকোর্স। পাশাপাশি অনার্স, এমবিএ এবং উচ্চতর আরও ডিগ্রিও রয়েছে। এখানে রয়েছে দরিদ্র, মেধাবীদের জন্য স্কলারশিপ সুবিধা। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, খেলোয়াড়, প্রতিবন্ধী কোটাও রয়েছে। যোগাযোগ :১৪৬, ওয়ারলেস গেট, মহাখালী, ঢাকা।

Source: www.ittefaq.com.bd


Related All Post:


পোশাক শিল্পে চাকরির সুযোগ




Related All Subject (Many post in one subject): 

Tuesday, March 12, 2013

সংকটে পোশাকশিল্প, ২ হাজার কোটি টাকার স্টক লট নিজস্ব প্রতিবেদক:

সংকটে পোশাকশিল্প, ২ হাজার কোটি টাকার স্টক লট 
-নিজস্ব প্রতিবেদক:




পোশাকশিল্প এখন এক ক্রান্তিকাল পার করছে। একের পর এক হরতালে এই খাতটি দারুণ সংকটে পড়েছে। গত কয়েকদিনের হরতালে পোশাকশিল্প খাতে স্টক লট হয়েছে হাজার কোটি টাকা। বিরোধী দলের এই ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচি শিল্পের জন্য আত্মঘাতী বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

দেশে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা চলতে থাকলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের বাজার অন্য দেশে চলে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 
তাজরীন ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকা-ে শতাধিক মানুষ মারা যাওয়ার পর থেকেই বিদেশি ক্রেতারা এদেশের পোশাকশিল্পে বিনিয়োগের ব্যাপারে নতুন করে ভাবছেন। এই অবস্থায় সম্প্রতি রাজনৈতিক অস্থিরতায় একের পর এক মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনাকে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে নেতিবাচক করে তুলছে। একের পর এক অর্ডার বাতিল হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সময়মতো পোশাক তৈরির কাঁচামাল আমদানি করা যাচ্ছে না। ফলে বিলম্বিত হচ্ছে পোশাক রপ্তানি। এতে অনেক শিপমেন্ট বাতিল হয়েছে। গত কয়েক দিনের হরতালে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার তৈরি পোশাকের স্টক লট হয়েছে বলে জানায় বিজিএমইএ সূত্র। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পোশাকশিল্প কারখানার মালিক বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আমার কারখানার একটি অর্ডার সাপ্লাইয়ের কথা ছিলো। হরতালের কারণে উৎপাদনে সময় বেশি লেগেছে। তাই নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদন কাজসহ শিপমেন্ট সম্পর্কিত অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। এতে অর্ডার বাতিল হয়েছে। সাড়ে চার কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি হওয়ার কথা ছিলো, যা এখন স্টক লটে পরিণত হয়েছে। এখন এসব পণ্য খোলা বাজারে ৮০ শতাংশ কম দামে বিক্রি করতে হবে। কিভাবে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবো আর কিভাবে কারখানা টিকিয়ে রাখব সে চিন্তায় মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।”
তবে হরতালে চট্টগ্রাম স্থল বন্দরের কাজে তেমন কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানিয়েছেন বন্দরের সচিব ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, হরতালে বন্দরে মালামাল ওঠানামার ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। আর কোনো শিপমেন্টও বাতিল হয়নি। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৬শ’ কন্টেইনার ওঠানামা করলেও হরতালে তা কমে আসে। হরতালের দিনগুলোতে গড়ে প্রায় ১২শ’ কন্টেইনার ওঠানামা করে।
স্টক লটের বিষয়ে বিজিএমইএ-এর কাছে কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই বলে জানায় বিজিএমইএ।
বিজিএমইএ-এর সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, “এটি পোশাক শিল্পের জন্য আত্মঘাতী হওয়ার পূর্ব সংকেত। এ শিল্পের কাঁচামাল আমদানি নির্ভর হওয়ায় হরতাল হলেই আমদানিতে সমস্যা হয়। অন্যদিকে হাইরিস্কের কারণে শিপমেন্ট ঠিক মতো করতে পারে না মালিকরা। ফলে ক্রেতারা আমাদের ওপর থেকে আস্থা হারাতে বসেছে।”
আর যখন শিপমেন্ট ঠিক সময়ে না করতে পারে তখন সে পণ্য স্টক লট হয়, যা এ শিল্পের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ স্টক লট হওয়া পণ্য ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কম দামে বিক্রি করতে হয়। ফলে বিপুল পরিমাণ লোকসান গুণতে হয় মালিকদের। একদিনের হরতালে ব্যবসা-বাণিজ্যে তিন হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়। এসব হরতাল দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নতি হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত হবে এ দেশের অর্থনীতি। সম্প্রতি অস্থিরতার কারণে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে আসতে চাচ্ছে না। এতে অনেক অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি।
বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতি (ইএবি) সভাপতি সালাম মুর্শেদী বলেন, “স্টক লট পোশাকশিল্পের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি খুব সাধারণ ভাবেই বোঝা যায় যে, মালিকরা বিনিয়োগ করে পণ্য রপ্তানি করতে পারছে না। ফলে আয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর স্টক লট বিক্রি করে যা আয় হয় তা খুবই নগণ্য। কোন রকম বিক্রির জন্যই তা বিক্রি করা হয়। এটি এ শিল্পের এগিয়ে যাওয়ার পথে একটি অশনি সংকেত। আর সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্হি:বিশ্বে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা আর আমাদের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে কিনা, তা যদি পুনর্বিবেচনা করে তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।”