Tuesday, June 25, 2013

ক্ষুদ্র গার্মেন্টস’র ঈদ বাজার: সৈয়দপুরে প্রতিদিন দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা

ক্ষুদ্র গার্মেন্টস’র ঈদ বাজার: সৈয়দপুরে প্রতিদিন দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা


শাহজাহান আলী, সিসিনিউজ: শেষ মূহুর্তে জমজমাট হয়ে উঠেছে বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরের ঈদ পোশাকের বাজার। সে কারণে সরগরম স্থানীয় ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানাগুলো। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে হাল ফ্যাশনের বাহারী পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। খুচরা  পাইকারী মিলিয়ে ঈদ বাজারে কারখানাগুলোর প্রতিদিন প্রায় দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রামের বৃহৎ গার্মেন্টস কারাখানাগুলোর ঝুট কাপড়ের উপর নির্ভর করে সৈয়দপুরে গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানা। এসব কারখানায় তৈরী করা হয় বিভিন্ন বয়সী ছেলেদের পোশাক। ঈদকে সামনে রেখে নিত্য নতুন বাহারী ডিজাইনের পোশাকও তৈরী করা হয়। ঈদের মার্কেট ধরতে হাল ক্রেজের পোশাকের সমাবেশ ঘটানো হয়। সারা দেশেই গার্মেন্টসের পোশাকের চাহিদা রয়েছে। রমজানের শুরুতে পাইকাররা বিপুল পরিমান পোশাক সংগ্রহ করেন। এছাড়া সৈয়দপুরেই রয়েছে খুচরা বিক্রির বিশাল বাজার। এই ঈদে এখানকার ক্ষুদ্র পোশাক কারখানাগুলোতে তৈরী গ্যাভাডিন কাপড়ের মোবাইল প্যান্ট, জিন্স প্যান্ট, মোবাইল শার্ট শর্ট প্যান্ট এবং লিলেন কাপড়ের শর্ট ধুতি বিক্রি হচ্ছে ব্যাপকহারে। এর সাথে ঘর সাজানোর জন্য বালিশের কভার, দরজা-জানালার পর্দা, বিছানার চাদর ছেলে শিশুদের পোশাক বিক্রি চলছে সমান তালে। বিভিন্ন ব্রান্ডের প্যান্ট ন্যুনতম ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা, শার্ট ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা দামে বিক্রি হয়। শহরের ছাট কাপড়ের মার্কেট খ্যাত সামসুল হক রোডের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা জানান, খুচরা পর্যায়ে বেচাবিক্রি ভালো, তবে ব্যবসায়ীরা একবারে বেশি অর্ডার দিচ্ছেন না। আগে এমনটি দেখা যায়নি। এবার ঈদে তারা হাল ফ্যাশনের পোশাক তৈরী করেছেন। ঈদের বাজারে দৈনিক তাদের দেড় কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে বলে তারা জানান।


Source: http://ccnews24.com/



মালয়েশিয়ায় বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছে সৈয়দপুরের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রুপ


স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী।। প্যাভিলিয়ন নিয়ে মালয়েশিয়ার বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছে রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রম্নপ নীলফামারীর সৈয়দপুরের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান দুলু। মঙ্গলবার ( ২৬ নবেম্বর) থেকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ৩দিন ব্যাপী ওই মেলা শুরু হয়। মেলায় নীলফামারীর সৈয়দপুরের রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রুপের প্যাভিলিয়ন ব্যাপক প্রশংসিত লাভ করে।

ওই মেলায় মতিয়ার রহমানের প্যাভিলিয়নে সৈয়দপুরের উৎপাদিত ট্রাউজার, জ্যাকেট, শটস শার্ট, টি-শার্ট ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত ওই বাণিজ্য মেলায় সৈয়দপুরের গার্মেন্টস খাত আমন্ত্রণ পেয়েছে। আর রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রম্নপের পক্ষ থেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এতে প্যাভিলিয়ন নিয়ে অংশ নেন।
ইপিবি সূত্র জানায়, সম্পূর্ণ অপ্রচলিত উৎপাদন তথা ঝুট কাপড় দিয়ে তৈরি সৈয়দপুরের তৈরি (গার্মেন্টস) খাত সম্ভাবনা জাগিয়েছে। এখানে ঝুট কাপড়ে তৈরি গার্মেন্টস ভারত, নেপাল ও ভুটানে রফতানি হচ্ছে। ওই শিল্পের আরও প্রসার ঘটাতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রম্নপ, ইনট্রেড মালয়েশিয়ায় আমন্ত্রণ পায়।


Related All Post: 



Thursday, June 20, 2013

সিসিসি মেয়রের প্রতি চিটাগাং চেম্বার সভাপতি
গার্মেন্টস ভিলেজ স্থাপন হলে পোশাক শিল্পে বিপ্লব সাধিত হবে
চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রামে গার্মেন্টস ভিলেজ স্থাপন হলে এ অঞ্চলের পোশাক শিল্পে বিপ্লব সাধিত হবে বলে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম মতপ্রকাশ করেন। সম্প্রতি চট্টগ্রামের কালুরঘাটে “গার্মেন্টস ভিলেজ” স্থাপনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ৯ জুন এক পত্রে চেম্বার সভাপতি এ মন্তব্য করেন।
পত্রে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ১১ একর জমিতে প্রস্তাবিত “সাম্পান স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প” বাতিল করে “গার্মেন্টস ভিলেজ” স্থাপনের এ উদ্যোগ দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে বিরাজমান সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সংকট নিরসনের জন্য একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। চেম্বার সভাপতি তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ ও নিরাপদ কর্ম পরিরেশ বজায় রাখার স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের সমন্বয়ে একটি “আন্তঃকর্তৃপক্ষীয় সমন্বয় কমিটি” ও তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য স্বতন্ত্র “গার্মেন্টস ভিলেজ” স্থাপনের জন্য চিটাগাং চেম্বার বিভিন্ন সময়ে প্রস্তাব দিয়ে এসেছে বলেও পত্রে উল্লেখ করেন। তিনি তৈরি পোশাক রফতানি খাতে বর্তমানে যে সংকট দেখা দিয়েছে সিসিসি মেয়রের এ উদ্যোগের ফলে তা অনেকাংশেই মোচন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Saturday, June 15, 2013

পড়ার বিষয় গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং

- নাহিদ হাসান

বস্ত্রশিল্পের বিকাশে গার্মেন্টস বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ল্ড শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্পিনিং মিল, ডাইং ফিনিশিং মিল, নিট কম্পোজিল মিল। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে উত্পাদিত পণ্যকে গুণগত মানসম্পন্ন ও সমৃদ্ধশালী করার জন্য যারা শ্রেষ্ঠ অবদান রেখেছেন, তারা হলেন গার্মেন্টস বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। বাংলাদেশে প্রায় ৪,৮০০টি গার্মেন্টস এবং ১,২০০টি বায়িং হাউস আছে। বর্তমানে ডিপ্লোমা ইন গার্মেন্টস ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আর এ কারণে বাধ্য হয়ে অন্য শিক্ষায় শিক্ষিত লোকদের এ ফিল্ডে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বস্ত্র শিল্পে উন্নয়ন পরিকল্পনা যা ইতোমধ্যে সরকার হাতে নিয়েছে তাতে আগামী তিন বছরে প্রয়োজন হবে ২৫,০০০ জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। আর বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা দুই হাজারেরও কম। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই ফিল্ডে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্র :টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে কাজের রয়েছে অবারিত সুযোগ। যেকোনো টেক্সটাইল বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে উত্পাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যেতে হয় এই ইঞ্জিনিয়ারদের। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যেকোনো ছোট-বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উত্পাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিংসহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করে থাকেন। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং ঋণ প্রদানকারী সংস্থাসমূহে শিল্প ঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে তাদের জন্য বিশাল কাজের ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়ে আছে। যার ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং বিষয়ের শিক্ষার্থীদের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এ বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহীরা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :রূপসী, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। ফোন :০১৭৩১০০৬৯৮৯, ০৪৪৭৮৯১২৩৪৮। যাতে নিশ্চিত চাকরির সুযোগ রয়েছে এ ছাড়াও ডিপে¬ামা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, শিপ বিল্ডিং টেকনোলোজি, টেক্রটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্ল¬াস টেকনোলোজি, সার্ভেয়িং, সিরামিকস টেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে।

Source: www.ittefaq.com.bd


Related All Subject (Many post in one subject): 

Wednesday, May 22, 2013

Garments Design & Pattern Making Technology

Garments Design & Pattern Making Technology

গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং মূলতঃ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটা অংশ আর এ জন্য এর কর্মক্ষেত্রটা অনেক ব্যাপক। মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে বস্ত্র অন্যতম। এই বস্ত্রকে বিভিন্ন আঙ্গিকে নতুন নতুন ভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বের সকল মানুষের পছন্দের পোষাক তৈরি করাটাই Garments Design and Pattern Making এর কাজ। Fashion মূলতঃ পরিবর্তনশীল তাই দক্ষ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার ছাড়া সারা দুনিয়ার এই চাহিদা মিটানো সম্ভব নয়। মূলত গর্ামেন্টস শিল্পে অভূতপূব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা রয়েছে যে কেবল মাত্র কম শিক্ষিত লোকজনই এই শিল্পে চাকরি করে থাকে। না, আমরা বলতে চাই এই শিল্পে টেকনিক্যাল এবং ডিজাইন সংশ্লিষ্ট পোস্টের কাজ গুলি সবচেয়ে বেশি বেতনে বিদেশ থেকে এস কাজ করে থাকে।এই সেক্টরে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে শুধু তাই নয় আগামী ১০বছরেও দক্ষ গার্মেন্টস ডিজাইন ও প্যাটার্ন মেকিং এর চাহিদা শেষ হবে না। এই শিল্প থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে।

Garments Design and Pattern Making প্রয়োজনীয় ল্যাব সমূহঃ

  • CAD Lab
  • Pattern Making Lab
  • Sewing Lab
  • Testing Lab
  • Cutting Lab
  • Computer Lab
  • Physics & Chemistry Lab

কর্মক্ষেত্র সমূহঃ

  1. বাংলাদেশের Garments Industry গুলোতে এবং Manufacturing Unit এ রয়েছে বিশাল চাকুরির ক্ষেত্র। এই বিভাগ গুলোতে Designer Assistant Cutting Officer, Sketching Assistant, Junior Designer হিসাবে রয়েছে অনেক চাকরির সুযোগ।
  2. Marketing and Merchandising বিভাগে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে Garments এর Fashion বিভাগে Marketing Officer এবং Assistant Merchandising Control Manager হিসেবে রয়েছে চাকুরির সুযোগ।
  3. Manufacturing Department: Manufacturing বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে Assistant Production Manager পদে রয়েছে কাজ করার অফুরন্ত সুযোগ। এই ইউনিটগুলো (১) Pattern Grading (2) Spreading (3) Marking to cutting (4) Assembling (5) Trainer for worker
  4. Fashion Coordinators: এই বিভাগে বায়ার এবং Production Manager কে সাহায্য করার জন্য Assistant coordinators পদে তৈরী হয়েছে চাকরির সুযোগ
  5. সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি Handloom/Textile Manufacture বিভাগে Assistant Manager হিসাবে রয়েছে অফুরন্ত চাকরির সুযোগ।